বর্তমান দাওয়াত তাবলীগের উসুল কি হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) এর নাকি ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং'-দের?
"আমার মর্যাদা এক সাধারণ মোমিন হইতে উপরে বুঝা উচিত নহে। শুধু আমার কথার উপর কাজ করা বদদ্বীনি হইবে। আমি যাহা কিছু বলি উহাকে কিতাব ও সুন্নতের উপর আরোপ করিয়া এবং নিজে চিন্তা ফিকির করতঃ নিজের জিম্মাদারীর উপর কাজ কর। আমি তো শুধু পরামর্শ দিয়া থাকি।"[হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস সাহেব রহ.-এর মালফুজাত (২১০)]
• অন্ধভাবে মানার ব্যাপারে হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) পরিষ্কার নিষেধ করে গেছেন, আর এর বিপরীতে "বড়রা বলেছেন" -এই জাতীয় কথা বলে বলে ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং' সাথীদেরকে অন্ধ অনুসরণের শিক্ষা দিচ্ছেন। দলিল দেয় "শুনছি ও মানছি", যেটা ছিল শুধুমাত্র নবীর কথার ক্ষেত্রে সাহাবাদের আমল।
• মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) বলে গেছেন কিতাবের সাথে মিলানোর জন্য। মিললে আমল হবে নয়তো নয়। অন্যদিকে, ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং'
বলে- "আরে, আমাদের মুরুব্বীরা কিতাব কম বুঝেন নাকি! উনারা তো বুঝেই বলেছেন"।
এখন একটু চিন্তা করে দেখি-
• মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) কি এই তাবলীগের কথা বলে গেছেন, যা এখন আমরা দেখছি? নাকি ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং' তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য তাবলীগের সাথীদেরকে অন্ধ করে রাখছে?
• আমাদের এই সাথীরা কি একবারের জন্যেও চিন্তা করে দেখেছে যে, মসজিদ থেকে কাউকে বের করে দেয়া অথবা মার দেয়া, গালি দেয়া কোন কিতাবে আছে কিনা? নাকি শুধু এই কথার উপরেই আমল করা হচ্ছে যে- "মুরুব্বীরা বলেছে", ...."উনারা কিতাব কম বুঝেন নাকি"....।
আরেকটা বড় বিষয় হল-
• হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) বলে গেছেন- "নিজে চিন্তা ফিকির করতঃ নিজের জিম্মাদারীর উপর কাজ করো"। এর বিপরীতে ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং' এমন অবস্থা তৈরি করে ফেলেছে যে, তারা আপনাকে নিজে থেকে চিন্তা-ফিকির করার কোন সুযোগ দিবে না। বলবে- "বড়রা ফিকির করবে, আর আমরা শুধু তার ওপর আমল করবো"।
• আপনি যদি নিজে থেকে কোন চিন্তা-ফিকির করেন, তবে তো তাদের সামনে আপনি 'তাবলীগওয়ালা'ই থাকবেন না, আপনি 'আহলে হাদীস'(!) হয়ে যাবেন!
হে আল্লাহ, আপনি এই মোবারক কাজকে এই ' স স পাঞ্জ ওয়াসিফ গং'-এর হাত থেকে উদ্ধার করে দিন এবং দ্বীনের জন্য আমাকে কবুল করুন ও ব্যবহার করুন।



0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন