১ম ধাপ – ভেন্যু > ডেমরা
সরকার ফেতনাহ করতে দিলো না। আলহামদুলিল্লাহ
—————————-
২য় ধাপ – ভেন্যু > সাভার
সরকার ফেতনাহ করতে দিলো না। আলহামদুলিল্লাহ
—————————-
৩য় ধাপ – ভেন্যু > মিরপুর
জনপ্রতিনিধিকে অর্থের লোভে হাত কিন্তু
ওলামা একেরাম ও পুলিশ প্রশাসনের বাধার মুখে বন্ধ। আলহামদুলিল্লাহ
—————————-
৪র্থ ধাপ – ভেন্যু > মিরপুর
ওলাম একেরাম আম জনতা ও প্রতিনিধি সহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নিশেধাক্কা জারি। আলহামদুলিল্লাহ
—————————-
ফাইনাল পর্ব – ভেন্যু > কেরানীগঞ্জ
ফাইনাল পর্ব – ভেন্যু > কেরানীগঞ্জ
১>>> স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি কে অর্থের বিনিময় ক্রয় করে রাতের অন্ধকারে চর দখলের কায়দায় সময় রাত ১১টার পরে এতাতীদের খবর আসে সবগুজারীর নামে খোলামোড়া মডেল টাউন এর ধইঞ্চা খেতে সবগুজারীর নামে একত্র হচ্ছে। শুক্রবার জুম্মার থেকে তাদের তথাকথিত ইজতেমা শুরু করবে।
উল্লেখ্যঃ মাননীয় মন্ত্রী মোহদয় এর কাছে অনুমতির জন্য গেলে তিনি তাদের অনুমতি দেন নি। কিন্তু থানা ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি অর্থের বিনিময়ে যায়গা অনুমতি ছাড়াই বরাদ্দ দেয়।
২>>>রাত থেকেই পুলিশ প্রশাসন কে খবরটি জানালে তারা দিখছি বলে আমাদের মিথ্যা আশ্বাস দেয়। পরের দিন ওলামা একেরাম ও তাঁদের মাতাহাতে তাবলীগের আম সাথীরা থানা ঘেরাও করলে পুলিশ প্রশাসন ৫০০ পুলিশ পাঠায়…আসলে তারা ঠিকি যায় কিন্তু ঘটনা স্থলে না গিয়ে কোনাখোলার উপজিলার মোড়ে অবস্থান নেয়। টাল বাহানা করে কাল ক্ষেপন করে। পুলিশের পক্ষ থেকে খবর আসে তারা শুক্রবার আসরের পর চলে যাবে এই মিথ্যা খবরে আমাদের ওলামা মাতাহাতের সাথীরা চলে যেতে শুরু করে। তাদের এমন দ্বীমূখি মনোভাব দেখে মাশোয়ারা করে সবাইকে কোনাখোলা মারকাজে জুম্মা পড়ার জন্য ঘোষনা দেয়া হয় ।
৩>>>কিন্তু কেরানীগঞ্জরের ওয়াহেদ হাস্তি
তাবলীগের হক্বের ঝান্ডা বুলন্দকারী
ওলামা একেরামের মোহাব্বতের দিল দরাজ
আমাদের নয়নের মনি
জনাব হাজী সেলিম ভাই (বারাকাল্লাহু ফি হায়াতী)
জামাত থেকে দ্রুত চলে আসেন মারকাজে শুক্রবার সকালের ফ্রাইটে ওলামা একেরাম ও কেরানীগঞ্জের আম সাথীদের কে নিয়ে জরুরী মাশোয়ারা করে নিরুপায় হয়ে কদমতলী গোল চত্বরে সবাইকে জমায়েত হতে বলেন।
(উল্লেখ্যঃ ওলামা একেরামের মাতাহাতে তাবলীগের জিম্মাদার সাথীদের মধ্যে হাজী সেলিম ভাই সহ ৪০ জনের অধিক ৫ দিনের জোড়ের তাকাজায় জিলা সফরে ছিল।)
৪>>>এতাতীদের চোরাই ইজতেমা বন্ধ করার আর কোন উপায় না পেয়ে সরকারের উর্ধতন জনপ্রতিনিধির দৃষ্টি আকর্ষনের লক্ষ্যে আল্লাহর উপর ভরসা করে এতাতীদের সাথে কোন্দলে না জড়িয়ে কদমতলীর গোলচত্বরে গন জমায়েতের ডাক দেন।
এবং আসরের পর পর মাশোয়ারা শেষ করে
কোনাখোলা মারকাজ ( কেরানীগঞ্জ বাংলাওয়ালী মসজিদ) থেকে পায়দাল (পায়দাল সফরে আল্লাহ তা’লার মদদ থাকে।)
কদমতোলী গোলচত্বরে সবাই জমায়েত হন এবং মাগরীবের নামাজ আদায় করে বয়ান শুরু হয়। স্থানী জন প্রতিনিধির টনক নড়ে যায়।
তারা আমাদের কে আসস্থ করে এবং অংগিকার করে
এতাতীদের ঢাকা জিলার ইজতেমা নামে ফেতনাহ কে শনিবার সকালের মধ্যে বন্ধকরে তাদের কে ওখান থেকে সরিয়ে দেবে।
৫>>>হাজী সেলিম ভাই বলেন… সরকারের আইন ও শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জন প্রতিনিধির আশ্বাসে আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করে আমাদের গন জমায়েত শেষ করলাম। কিন্তু সবাইকে কোনাখোলা মারকাজে অবস্থানের জন্য বলেন। এটাও বলে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন- যদি এতাতীদের ঢাকা জিলার ইজতেমা নামে ফেতনাহকে বন্ধ না করেন তা হলে সকালেই বাংলাদেশের সকল ওলামা মাশায়েখ সহ তাদের মাতাহাতে তাবলীগের সাথী ও সচেতন জনগন কে নিয়ে আবার গনজমায়েত হবেন।
৬>>>পুলিশ প্রশাষনের দিলে আল্লাহ
হাজী সেলিম ভাই এর হুংকারে
ভিতির সঞ্চার করে দেন।
তারা আর্মড পুলিশ বাহিনী তলব করে সকাল ৮ ঘটিকায় এতাতীদের হটাতে অগ্রসর হলে>>> তাদের পৌছানোর আগেই এতাতীরা তাদের তথাকথিত ইজতেমা বন্ধ করে দেয়।
আলহামদুলিল্লাহ । সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ জাল্লা শানুহুর ই জন্য।
কেরানীগঞ্জ বাংলাওয়ালী মসজিদ থেকে
বাংলাওয়ালী
কোনাখোলা, কেরানীগঞ্জ,ঢাকা।


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন