ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!বাংলাদেশের সকল আলেম-ওলামায়ে কেরাম “জাহেল ওয়াসিফুল” এর বিরুদ্ধে এখনই সোচ্চার হোন,শীঘ্রই কথিত স্বঘোষিত আমির মাওলানা সাদের অন্ধ ,জাহেল মুরিদ ওয়াসিফ গং এর ক্যাডার বাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় সকাল থেকে কাকরাইল মসজিদ থেকে আলেমদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে!!!
মূর্খ,জাহেল ওয়াসিফ গং, পুলিশ কাকরাইল মসজিদ ঘুরে ঘুরে
বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম, মুকিমিন, মাদ্রাসা ছাত্রদের ধরপাকর, অপমান ও হেস্তনেস্ত করে বের করে দিয়েছে।
বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে চিল্লার জন্য আসা মাদ্রাসার ছাত্রদেরকেও অপমান করে জোর করে লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে বের করে দিয়েছে।(পুলিশের সহায়তায় কাকরাইল মসজিদ পুরোটা ওয়াসিফ গং এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রথম আলোর সাংবাদিক যে রিপোর্ট করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে।আলেম-ওলামায়ে কেরাম, এবং চিল্লা, সালের জন্য আসা মাদ্রাসার ছাত্র এবং আলেম ওলামাদের অনুসারীরা আশেপাশের বিভিন্ন মসজিদে অবস্থান নিয়েছেন।কিছু ছাত্র যাত্রাবাড়ী মদিনা শবগুজারি মসজিদে অবস্থান করছেন)
গত ১৩ ,১৪,১৫ এপ্রিল ভারতের নিজামুদ্দিন এর জোড়ে মাওলানা সাদ সাহেব কাকারাইলের আলেম শুরার কারো কোনো অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই বাংলাদেশের কাকরাইল শূরার মধ্যে আরো দুইজনকে ফায়সাল হিসেবে ঘোষণা দেন।
উনি কোথাকার আমির সাহেব হয়ে গেলেন যে একা একা কোনো পরামর্শ না করে বাংলাদেশের শুরার পরামর্শ ছাড়াই নতুন ফায়সাল ঘোষণা করে দাওয়াত তাবলীগের মেহনতের মধ্যে কোন্দল আরোও বাড়িয়ে দিচ্ছেন????
আলেম - ওলামায়ে কেরামের উচিত এই মূহুর্তে তাবলীগের মার্কাজ থেকে ভাইরাস, বিষফোঁড়া ওয়াসিফ, নাসিম,ইউনুস শিকদার গংদের কাকরাইল থেকে চিরতরে বহিষ্কার করে কাকরাইলকে কলঙ্কমুক্ত করা।
ছাগল দিয়ে যেমন হাল চাস করা যায়না, তেমনি মূর্খ,জাহেল আর চোর-বাটপারদের দিয়ে
ও মারকায বা দ্বীনি যেকোনো কাজ চালানো যায় না।
জুতা চোর যেমন মুসল্লি সেজে মসজিদে চুরি করে,ঠিক তেমনি ওয়াসিফ সাহেব তাবলীগের মেহনত কে পুজি করে দুনিয়াদারী অর্জনে জড়িয়ে পরেছে।
আর এসব মূর্খরা না বুঝে কুরআন, না বুঝে হাদীস,ফিকহ/ইসলামী শরীয়ত কিন্তু সারাদিন কথিত স্বঘোষিত আমিরের পূজায় অন্ধ হয়ে আজ আলেমদের বিরুদ্ধে লেগেছে।(সর্বশেষ প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মাওলানা যুবায়ের সাহেব এবং জাহেল ওয়াসিফ কে কাকরাইল ছাড়তে প্রশাসন অনুরোধ করেন।। মাওলানা সাদ পন্থি নতুন দুইজন কে শুরার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়াসিফ সাহেব গতকাল শুক্রবার থেকে পুলিশের মাধ্যমে এসব পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র শুরু করেন। )
কাকরাইল মাদ্রাসার ছাত্ররা কি অবস্থায় আছে তা এখনও জানা যায়নি।
হে আল্লাহ মাওলানা সাদ সাহেবকে হেদায়াত দান করুন।সাথে উনার মূর্খ মুরিদদের।দ্বীনের সকল মসজিদ, মাদ্রাসা, মার্কাজকে বাতিলের হাত থেকে হেফাজত করুন।
হক্ব কে হক্ব বুঝার এবং বাতিলকে বাতিল হিসেবে বুঝার তৌফিক দান করুন।আমিন।


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন