দাওয়াত তাবলীগের কাম করনেওয়ালা সাথীদের পুঁজি হলো ৷
================================================
১|→এয়াক্বীন... ২|→এখলাস...
৩|→তাক্বওয়া...
৪|→তাওয়াক্কুল...
৫|→তাওয়াজু...
৬|→সবর...
৭|→এতাআত...
৮|→ইজতেমাইয়্যাত...
৯|→দাওয়াত...
১০|→দু'য়া...
এয়াক্বীনঃ
°°°°°°°°°
আল্লাহ্ তায়ালার কুদরতের মুকাবেলায় পুরা কায়েনাতকে অস্বীকার করা... অর্থাৎ আল্লাহ্ তায়ালাই একমাত্র করনেওয়ালা, গোটা দুনিয়ার রাজত্ব হাতে এলেও কোনো ফায়দা হবেনা যদি আল্লাহ্ তায়ালার সাহায্য না আসে... আবার বিন্দু পরিমানও মাখলুকের সাহায্যের প্রয়োজন হবেনা, যদি মাওলায়ে কারীম আপন কুদরত দ্বারা সাহায্য করেন............!!!
এখলাসঃ
°°°°°°°°°
কেউ যদি প্রশংসা করে তাহলে দিলের অবস্থাটা যেরকম হবে, কেউ তিরস্কার করিলেও দিলেও অবস্থাটা একই রকম হবে... অর্থাৎ দা'ঈ তার নিজের প্রশংসা শুনে খুশি হবেনা, আবার কেউ তিরস্কার করিলে গালমন্দ করিলে সে গোস্বাও হবেনা... সেতো মেহনত করিবে নিজের হিদায়াতের জন্য, আল্লাহকে খুশি করার জন্য, নিজেকে হাশরের ময়দানের অভিযোগ থেকে রক্ষা করার জন্য............!!!
তাক্বওয়াঃ
°°°°°°°°°°
সে দিনের আলোতে আল্লাহকে যতখানি ভয় করিবে, রাতের অন্ধকারেও ততখানি ভয় করিবে... মানুষের ময়দানে যেরকম নিজেকে গুনাহ থেকে ফরহেজ রাখিবে, মানুষের আড়ালেও গুনাহের থেকে নিজেকে ঐরূপ হেফাজতে রাখিবে... অর্থাৎ দা'ঈ সর্বাবস্তায় আল্লাহকে ভয় করিবে, প্রকাশ্যে এবং গোপনে সে আল্লাহকে সমপরিমাণ ভয় করিবে...........!!!
তাওয়াক্কুলঃ
°°°°°°°°°°°
নিঃস্ব অবস্থায় আল্লাহর প্রতি যতখানি ভরসা করিবে, কোটি টাকা হাতে থাকা অবস্থায়ও আল্লাহ্ তায়ালা প্রতি ঐপরিমান ভরসা করিবে... অর্থাৎ দা'ঈর ভরসা পরিপূর্ণ ভাবে আল্লাহ্ তায়ালার জাত ও সিফাতের প্রতি বদ্ধমূল থাকিবে, চাই দুনিয়ার আসবাব হাতে থাক অথবা না থাক...........!!!
তাওয়াজুঃ
°°°°°°°°°°°
সে নিজেকে মিটিয়ে দিবে, বিনয়ের সাথে সে নিজেকে তুচ্ছ মনে করিবে... অর্থাৎ অপরকে সে নিজের চেয়ে উত্তম মনে করিবে... অপরের সম্পর্কে সবসময় ভালো ধারনা পোষন করিবে................!!!
সবরঃ
°°°°°°°
পরিস্থিতি যতোই কঠিন থোক, দাঈ কখনো মোতায়াস্সের হবেনা, বরং আল্লাহ্ তায়ালা ওয়াদার দিকে খেয়াল করে আল্লাহ্ তায়ালার সাহায্যর আশা করিবে.............!!!
এতাআতঃ
°°°°°°°°°°°
সে নিজেকে মাননেয়ালা বানাবে, সে বড়দেরকে মানবে, মানার মতো মানবে... অর্থাৎ মনমতো চলা থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখিবে...........!!!
ইজতেমাইয়্যাতঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°
সে সকলের সাথে মিলে থাকবে, কাউকে কষ্ট দিবেনা, কারও দোষ তালাশ করবেনা, কাউকে কটুকথা বলবেনা, বরং কেউ তাকে কষ্ট দিলে সে আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা করে দিবে, সেটা এজন্য যাতে শয়তান নিজেদের জোড়মিল নষ্ট করিতে না পারে..............!!!
দাওয়াতঃ
°°°°°°°°°°°
বান্দাহকে আল্লাহ্ তায়ালার দিকে ডাকার নাম দাওয়াত... নবীওয়ালা দরদ আর ফিকির নিয়ে হার তবক্বার উম্মতের দুয়ারে গিয়ে তাদের সামনে আল্লাহ্ তায়ালার পরিচয়কে তুলে ধরিবে... আল্লাহ্ তায়ালার জাত ও সিফাতের আলোচনা করিবে, তাহার কুদরতের আলোচনা করিবে, তাহার ওয়াদা সমূহের আলোচনা করিবে, যাতে ঐ বান্দার দিলে আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি ভালো ধারনা পয়দা হয়ে যায়, যেনো সে আল্লাহ্ তায়ালাকে মাননেয়ালা বনেযায়...........!!!
দু'য়াঃ
°°°°°°°
আল্লাহ্ তায়ালাকে তাহার বান্দাদের প্রতি ডাকার নাম দু'য়া... গোপনে সে আল্লাহ্ তায়ালার দরবারে উম্মতের ব্যাথায় হুহু করে কাঁদবে, চোখের পানি দিয়ে আল্লাহ্ তায়ালার রহমতকে তাহার বান্দাদের প্রতি রুজু করার জন্য সে কাঁদবে খুব বেশি পরিমাণে ক্রন্দন করিবে.............!!!


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন