দাওয়াত তাবলীগ জামাতের
শীর্ষ মুরুব্বী মাওলানা সা'দ কান্ধলভী বিতর্ক কাটতে না কাটতেই এবার নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে
বাংলাদেশ দাওয়াত তাবলীগের শুরা সদস্য স স পাঞ্জ ওয়াসিফুল ইসলামকে নিয়ে। বাংলাদেশে সা'দের অনুসারী এ তাবলীগ মুরুব্বীর
বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ পাওয়া
গেছে। তাবলীগের নামে বিদেশ থেকে টাকা এনে সে টাকা ওয়াসিফ নিজের পকেটে পুরেছেন বলে
অভিযোগ করেছেন একসময় তার সাথে থাকা কয়েকজন। শুরা সদস্য হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে বিশ্ব
ইজতেমা ও কাকরাইল মসজিদে
আধিপত্য বিস্তার করার অভিযোগের তীরও এখন ওয়াসিফের দিকেই।
ওয়াসিফকে নিয়ে মূল বিতর্ক শুরু হয় মাওলানা সা'দের পক্ষ নেয়া নিয়ে। বাংলাদেশের আলেম সমাজ ও তাবলীগের অধিকাংশ শুরা
সদস্য মাওলানা সা'দকে বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় আনার
বিপক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বিশ্ব তাবলীগের একমাত্র শীর্ষ মুরুব্বী হিসেবেও
মাওলানা সা'দকে মানতে আপত্তি জানান তারা। সবাইকে উপেক্ষা
করে ওয়াসিফুল ইসলাম সা'দের লেজুড়বৃত্তি করে ফায়দা হাসিলের
চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান তাবলীগের সাথীরা।
ওয়াসিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রসঙ্গে জানতে গিয়ে বেরিয়ে
আসে আরো নানা তথ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-তাবলীগের নামে বিশ্বের
বিভিন্নস্থান থেকে টাকা উত্তোলন করে সেটা আত্মসাৎ করা। এমন একাধিক প্রমাণ পাওয়া
গেছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুর তাবলীগের শুরা সদস্য হাজী
আব্দুল করিমের কাছ থেকে। ওয়াসিফুল ইসলাম তার কাছে টাকা এনে সে টাকার কোনো হিসাব
দেননি বলে জানান সিঙ্গাপুর তাবলীগের এ মুরুব্বী।
সমপ্রতি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার বিদেশি তাঁবুতে বসে তিনি এসব কথা
বলেন। কথা প্রসঙ্গে ওয়াসিফুল ইসলামকে টাকা দেয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি
জানান, ওয়াসিফকে তিনি দাওয়াত ও তাবলীগের কাজের জন্য টাকা
দিয়েছেন।
সে টাকা কোন কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, এমন
তথ্য তাকে দেয়া হয়েছে কী না-এ প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল করিম বলেন, 'না, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।' তাবলীগের শুরা সদস্যদের ঘনিষ্ঠ এক সাথী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
হাজী আব্দুল করিম সাহেব আমাকে বলেছেন, তিনি
ওয়াসিফ সাহেবকে কাকরাইল মারকাজের জন্য ৫ হাজার ডলার দিয়েছেন। কিন্তু আমরা সে টাকার
কোনো হিসাব কখনো পাইনি। এ টাকা ওয়াসিফ সাহেব ও তার ছেলে উসামা মেরে দিয়েছেন।
কাউকে এ প্রসঙ্গে কিছু জানাননি।
এছাড়াও ওয়াসিফের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের আরও অনেক অভিযোগ পাওয়া
গেছে। সেসব টাকার হিসাব না দিয়ে তিনি এখন বাংলাদেশের তাবলীগে বিভক্তি ছড়াচ্ছেন বলে
তাবলীগের পুরোনো সাথীরা অভিযোগ করেন।
তাবলীগের সাথী ও ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পদার্থ
বিজ্ঞানের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওয়াসিফ
সাহেব যা করছেন, তা কোনোভাবেই ভালো কাজ না। তিনি
রীতিমতো শয়তানি করছেন। অর্থ আত্মসাৎ, আধিপত্য বিস্তার ও
কাকরাইলকে দখলের পাঁয়তারা তিনি করছেন। তার এসব সফল হবে না।
এদিকে, ভারতের মাওলানা সা'দকে নিয়ে নতুন খেলায় মেতে উঠেছে ওয়াসিফুল ইসলাম। বাংলাদেশের তাবলীগের
মুরুব্বীদের পাশ কাটিয়ে তিনি মাওলানা সা'দের কাছ থেকে
বহুদিনের প্রচলিত 'মাশওয়ারা' (পরামর্শ
সভা) সন্ধ্যার পরিবর্তে বিকেলে স্থানান্তর করেন। নিজের আধিপত্য বিস্তার করতেই তিনি
এমনটি করেছেন বলে একাধিক তাবলীগের সাথী জানান। গত মঙ্গলবার কাকরাইল মসজিদে এ ঘটনা
ঘটে। ওয়াসিফ 'মাশওয়ারা' বিকেলে
শুরু করলে তাৎক্ষণিক কয়েকশ' তাবলীগের সাথী এর বিরোধিতা
করেন। বাধ্য হয়ে এ মাশওয়ারা তিনি বন্ধ করেন। এ বিষয় নিয়ে হট্টগোল শুরু হলে পুলিশ
এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার ওয়াসিফুল ইসলামের সাথে
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার অনুসারী তাবলীগের এক
সাথী বলেন, এইসব মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। তার সুনাম
ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
আধিপত্য বিস্তার করার অভিযোগের তীরও এখন ওয়াসিফের দিকেই।ওয়াসিফকে নিয়ে মূল বিতর্ক শুরু হয় মাওলানা সা'দের পক্ষ নেয়া নিয়ে। বাংলাদেশের আলেম সমাজ ও তাবলীগের অধিকাংশ শুরা সদস্য মাওলানা সা'দকে বাংলাদেশের বিশ্ব ইজতেমায় আনার বিপক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি বিশ্ব তাবলীগের একমাত্র শীর্ষ মুরুব্বী হিসেবেও মাওলানা সা'দকে মানতে আপত্তি জানান তারা। সবাইকে উপেক্ষা করে ওয়াসিফুল ইসলাম সা'দের লেজুড়বৃত্তি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান তাবলীগের সাথীরা।
ওয়াসিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রসঙ্গে জানতে গিয়ে বেরিয়ে আসে আরো নানা তথ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-তাবলীগের নামে বিশ্বের বিভিন্নস্থান থেকে টাকা উত্তোলন করে সেটা আত্মসাৎ করা। এমন একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে সিঙ্গাপুর তাবলীগের শুরা সদস্য হাজী আব্দুল করিমের কাছ থেকে। ওয়াসিফুল ইসলাম তার কাছে টাকা এনে সে টাকার কোনো হিসাব দেননি বলে জানান সিঙ্গাপুর তাবলীগের এ মুরুব্বী।
সমপ্রতি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার বিদেশি তাঁবুতে বসে তিনি এসব কথা বলেন। কথা প্রসঙ্গে ওয়াসিফুল ইসলামকে টাকা দেয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওয়াসিফকে তিনি দাওয়াত ও তাবলীগের কাজের জন্য টাকা দিয়েছেন।
সে টাকা কোন কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, এমন তথ্য তাকে দেয়া হয়েছে কী না-এ প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল করিম বলেন, 'না, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।' তাবলীগের শুরা সদস্যদের ঘনিষ্ঠ এক সাথী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, হাজী আব্দুল করিম সাহেব আমাকে বলেছেন, তিনি ওয়াসিফ সাহেবকে কাকরাইল মারকাজের জন্য ৫ হাজার ডলার দিয়েছেন। কিন্তু আমরা সে টাকার কোনো হিসাব কখনো পাইনি। এ টাকা ওয়াসিফ সাহেব ও তার ছেলে উসামা মেরে দিয়েছেন। কাউকে এ প্রসঙ্গে কিছু জানাননি।
এছাড়াও ওয়াসিফের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের আরও অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেসব টাকার হিসাব না দিয়ে তিনি এখন বাংলাদেশের তাবলীগে বিভক্তি ছড়াচ্ছেন বলে তাবলীগের পুরোনো সাথীরা অভিযোগ করেন।
তাবলীগের সাথী ও ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পদার্থ বিজ্ঞানের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওয়াসিফ সাহেব যা করছেন, তা কোনোভাবেই ভালো কাজ না। তিনি রীতিমতো শয়তানি করছেন। অর্থ আত্মসাৎ, আধিপত্য বিস্তার ও কাকরাইলকে দখলের পাঁয়তারা তিনি করছেন। তার এসব সফল হবে না।
এদিকে, ভারতের মাওলানা সা'দকে নিয়ে নতুন খেলায় মেতে উঠেছে ওয়াসিফুল ইসলাম। বাংলাদেশের তাবলীগের মুরুব্বীদের পাশ কাটিয়ে তিনি মাওলানা সা'দের কাছ থেকে বহুদিনের প্রচলিত 'মাশওয়ারা' (পরামর্শ সভা) সন্ধ্যার পরিবর্তে বিকেলে স্থানান্তর করেন। নিজের আধিপত্য বিস্তার করতেই তিনি এমনটি করেছেন বলে একাধিক তাবলীগের সাথী জানান। গত মঙ্গলবার কাকরাইল মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। ওয়াসিফ 'মাশওয়ারা' বিকেলে শুরু করলে তাৎক্ষণিক কয়েকশ' তাবলীগের সাথী এর বিরোধিতা করেন। বাধ্য হয়ে এ মাশওয়ারা তিনি বন্ধ করেন। এ বিষয় নিয়ে হট্টগোল শুরু হলে পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার ওয়াসিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার অনুসারী তাবলীগের এক সাথী বলেন, এইসব মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তথ্যঃ দৈনিক জনতা


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন