এজতেমা ২০১৮ বাঞ্চালের নীলনক্সা
(Ijtema 2018 plans to stop)
সাদিক ফারহান এর ফেজবুক পোষ্ট
৭ জানুয়ারী ২০১৮
সে সুবাদে আজ সকাল আটটার দিকে জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ি মাদরাসায় এ বিষয়ে উলামায়ে কেরাম নিজেদের মধ্যকার চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামা, তাবলীগের শুরাগণ,শুরাদের উপদেষ্টা কমিটি এবং ভারত সফরকারী জামাতসহ প্রায় একুশজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি একত্রিত হন।
দাওয়াতুল হকের আমীর, শ্রদ্ধাভাজন আলেমে-দ্বীন মাওলানা মাহমুদুল হাসান দা.বা. কে আমীরে-ফায়সাল মেনে প্রত্যেকের থেকে এ মর্মে রায় নেয়া হয় যে- 'এবার বিশ্ব ইজতিমায় সাদ সাহেব আসতে পারেন কি না?'। উপস্থিত শুধীজনদের মধ্য হতে ৭ জন তার আসার পক্ষে রায় দেন এবং ১৪ জন রায় দেন তার না-আসা মর্মে। এর ভিত্তিতে সাদ সাহেব এবার ইজতিমায় আসছেন না বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয়৷ এবং সাথে এও জানানো হয়, আসন্ন ইজতিমায় যেন বিষয়টি নিয়ে কোনরকম গোল না পাকিয়ে ওঠে সে জন্য সাদ সাহেব এবং ইব্রাহীম দেওলা সাহেব- উভয় পক্ষ থেকেই একদল প্রতিনিধি টঙ্গীতে আসবেন। পাশাপাশি আগামি বছর যেন উভয় পক্ষ নিজেদের মধ্যকার বিবাদ নিরসন করে ইজতিমায় অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্যে উলামায়ে কেরামের পক্ষ থেকে পূর্ণরূপে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়৷
কিন্তু অতীব দুঃখ ও উদ্বেগজনক ব্যাপার হলো, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায় আজ দুপুরের দিকে কাকরাইল মারকাযে ওয়াসেফ-সাদ-পক্ষীয় প্রায় চল্লিশজন ক্যাডারগোছের লোক সেখানে অবস্থানরত মাওলানা যুবাইর সাহেবসহ সাদ সাহেবের না-আসার পক্ষপাতি উলামাদেরে এই বলে হুমকি দেয় যে, 'মাওলানা সাদ বাংলাদেশে আসবেন৷ আর যারা তার বিরোধিতা করবে তাদেরকে কাকরাইল থেকে বের করে দেয়া হবে৷ সেজন্যে গাড়ি পর্যন্ত প্রস্তুত করে রাখা আছে বলে তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে৷'
অপরদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-কর্তৃক বেফাকের সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী সাহেবকে গতকাল আশ্বস্ত করা হয় যে, মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে আসবার ভিসা দেয়া হবে না ইন শা আল্লাহ! কিন্তু জানা যায়, মাওলানা সাদ যে কোন মূল্যে দেশে এসে বিশৃংখলা তৈরির লক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভিন্ন উপায়ে কলকাতার ভায়া হয়ে অন্যান্য কতিপয়জনের পাসপোর্টের ভিতর নিজের পাসপোর্ট ঢুকিয়ে দিয়ে টঙ্গী ইজতিমায় আসার পায়তারা করছেন৷ এবং অলরেডি তিনি দিল্লিতে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবার মানসে অবস্থান করছেন৷ এ মর্মে মাওলানা আশরাফ আলী সাহেব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পূনরায় শাইখকে তার আসার সকল পথ রুদ্ধ করার কথা বলে আশ্বাস দেন৷ এবং আজকে কাকরাইলে ঘটে যাওয়া ব্যাপারটা নিয়েও যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান৷
আল্লাহ পাক এই ফেতনাবাজ লোকের কবল থেকে তাবলীগের এই মুবারক মেহনতকে রক্ষা করেন৷ ওয়াসেফসহ তার পা-চাটা গোলামদের হাত থেকে বাংলাদেশের মারকাযকে হেফাজত করুন!
(আল্লামা আশরাফ আলী সাহেব গতকাল থেকেই জামিয়া রাহমানিয়ায় অবস্থান করছেন৷ শাইখের খিদমতে ছিলাম বলে তাঁর জবান থেকে সরাসরি বিষয়গুলো জানবার সুযোগ হয়েছে৷ সকালের যাত্রাবাড়ির মিটিংয়ে হযরত রাহমানিয়া থেকেই গিয়ে যোগদান করেন)


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন