জোড়ের ১ম দিন অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর ২০১৭ মাশোয়ারা হল আসর বয়ান প্রফেসর ইউনুস সিকদার সাহেব বাদ মাগরীব মাওলানা রবিউল হক সাহেব এদিকে ওয়াসিফুল ইসলাম রাতে মযদান ছেড়ে চলে গেলেন। ইন্ডিয়ার মুরুব্বীদের কাকরাইরে অবস্থানের ব্যবস্থা করেন। যা মাশোয়ারার বাইরে তার একক সিদ্ধানে করেন। এবং চক্রান্ত করে একটি প্রপাগান্ডা চালান যে বাংলাদেশের ৩চিঃ সাথীরা ইন্ডিয়ান মুরুব্বীদের চান কিন্তু সুরার ওলামা হযরত গন আসতে দিচ্ছেন না। খান শাহাবুদ্দিন নাসিম ও প্রফেসার ইউনুস সাহেবের সাক্ষর নেন, ওন্যান্য ঢাকা জিলার তথাকথীত সাথীরাও যারা ওয়াসিফের চক্রান্তের সাথে এক মত হয়ে কাজ করছেন তারাও সাক্ষর করেন। যানাযানি হলে তাদের কে অন্যান্য শূরার সদস্য যানতে চান আপনারা মাশোয়ারা না করে এমন কাজ কেন করলেন; তারা ভুল করেছেন বলে মন্তব্য করেন ও তারা প্ররচিত হয়েছেন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত যানান। রাতে মওলানা আব্দুল্লাহ যিনি ওয়াসিফুল ইসলাম সাহেবের সাথে থেকে বিতর্কীত হয়েছেন। এক অডিও বার্তায় শুরাদের বিরুদ্ধে উসকানি মূলক বক্তব্য দেন ও ময়দানে সাথীদের ভিতর বিভ্রান্তী ছড়ান।
জোড়ের আগের দিন অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর ২০১৭
দাওয়াত তাবলীগ বিষয়ে শূরা ও আলেমদের
বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ ৫ সিদ্ধান্তঃ
এক. রাজধানীর কাকরাইল মারকাজের সকল বিষয়ে যথারীতি আগের মতোই শুরার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
দুই. দৈনন্দিন সাধারণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে আগের মতোই মুকিমরাও (কাকরাইলে স্থায়ীভাবে অবস্থানরত) শুরার বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
তিন. বিশেষ তিনটি বিষয়েঃ
(ক) কোন ব্যক্তি সম্পর্কে পরামর্শ
(খ) অর্থনৈতিক বিষয়ক পরামর্শ
(গ) সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা সংক্রান্ত পরামর্শ অথবা এ ধরনের কোন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সাময়িক বিষয়ে পরামর্শের সময় শুরার সদস্যগণ ব্যতীত মুকিম বা অন্য কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না।
চার. আজকের এই সভায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এই যে, কাকরাইলে আহলে শুরা এই বিষয়ে সর্বাত্মকভাবে একমত হয়েছেন যে, তারা নিচে উল্লিখিত ৫ জন আলেমকে নিজেদের পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা গ্রহন করেছেন। যখনই প্রয়োজন অনুভূত হবে অথবা উলামায়ে কেরাম প্রয়োজন মনে করবেন, তখন জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ এই উলামা কমিটির সামনে পেশ করবেন এবং তাদের ফায়সালাও মেনে নিবেন। এই ৫ জন আলেম হলেন,
(১) কওমি মাদরাসা সমূহের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলী,
(২) জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ির মুহতামিম, গুলশান সেন্ট্রাল (আজাদ) মসজিদের খতিব আল্লামা মাহমুদুল হাসান,
(৩) কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আল্লামা আব্দুল কুদ্দুছ,
(৪) শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব আল্লামা ফরীদ উদ্দিন মাসউদ,
(৫) মারকাজুদ দাওয়াহ বাংলাদেশের আমিনুত তালীম মাওলানা মূহাম্মাদ আব্দুল মালেক।
পাঁচ. আলহামদুলিল্লাহ, হযরত উলামায়ে কেরাম ও আহলে শুরার মধ্যে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক যথারীতি কায়েম থাকবে। আসা-যাওয়া থাকবে। মহব্বত ও সৌহার্দ্য বজায় এবং মতবিনিময়ের ধারা অব্যাহত থাকবে।
আগের মিটিং এর ফয়সালা অনুযায়ী ইন্ডিয়া ও পাকিস্থানের কোন মুরুব্বী এবারের জোড়ে আসবেন না। শূরার ফয়সালা করে তাদের কে যানানো হয়েছে। কিন্তু ওযাসিফ ও খান মাশাবুদ্দিন নাসিম এই দুইজন চক্রান্ত করে ইন্ডিয়ার ৩ জন মুরুব্বীকে এনে উত্তরার হান্নান সাহেবের বাসায় রাখেন।নিয়ম হল ৫ দিনের জোড়ে কাকরাইলের সকল নজমওয়ালী জামাত (দফ্তরের কার্যক্রম) জোড়ের স্থানে চলে যায়।
জোড়ের ১ম দিন অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর ২০১৭
মাশোয়ারা হল
আসর বয়ান প্রফেসর ইউনুস সিকদার সাহেব
বাদ মাগরীব মাওলানা রবিউল হক সাহেব
এদিকে ওয়াসিফুল ইসলাম রাতে মযদান ছেড়ে চলে গেলেন। ইন্ডিয়ার মুরুব্বীদের কাকরাইরে অবস্থানের ব্যবস্থা করেন। যা মাশোয়ারার বাইরে তার একক সিদ্ধানে করেন। এবং চক্রান্ত করে একটি প্রপাগান্ডা চালান যে বাংলাদেশের ৩চিঃ সাথীরা ইন্ডিয়ান মুরুব্বীদের চান কিন্তু সুরার ওলামা হযরত গন আসতে দিচ্ছেন না। খান শাহাবুদ্দিন নাসিম ও প্রফেসার ইউনুস সাহেবের সাক্ষর নেন, ওন্যান্য ঢাকা জিলার তথাকথীত সাথীরাও যারা ওয়াসিফের চক্রান্তের সাথে এক মত হয়ে কাজ করছেন তারাও সাক্ষর করেন। যানাযানি হলে তাদের কে অন্যান্য শূরার সদস্য যানতে চান আপনারা মাশোয়ারা না করে এমন কাজ কেন করলেন; তারা ভুল করেছেন বলে মন্তব্য করেন ও তারা প্ররচিত হয়েছেন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত যানান। রাতে মওলানা আব্দুল্লাহ যিনি ওয়াসিফুল ইসলাম সাহেবের সাথে থেকে বিতর্কীত হয়েছেন। এক অডিও বার্তায় শুরাদের বিরুদ্ধে উসকানি মূলক বক্তব্য দেন ও ময়দানে সাথীদের ভিতর বিভ্রান্তী ছড়ান।
জোড়ের ২য় দিন অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর ২০১৭
বাদ ফজর বয়ানঃ মওলানা মোহাম্মদ হোসেন সাহেব
বাদ আসরঃ ইঞ্জিনিয়ার নাসিম সাহেব
বাদ মাগরীবঃ মাওলানা যাবায়ার সাহেব।
ফজর এর পর খান শাহাবুদ্দিন নাসিম ময়দান ছেড়ে চলে যান ও উত্তরার হান্নান সাহেবের বাসায় মিটিং করেন। সেখানে তথা কথিত ঢাকা জিলার সাথীদের মধ্য যাদেরকে ওয়াসিফুল ইসলাম তৈরী করেছেন সার্থ হাসিলের জন্য ও কাকরাইলের শূরাদের মধ্যে যারা হযরত ওলামাএকেরাম তাদের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলার জন্য তাদের মধ্যে কেরানীগঞ্জ এর সাথী সাঈদ,মোতালেব, জহির ও মাওলানা আব্দুল্লাহ, আরো ছিলেন মিজান,সিহাব,আলতাফ,আকরাম,ডাঃ নাফিজ, ডাঃ রফিক, মাওলানা আশরাফ আলী সহ আরো অনেকে। তাদের চক্রান্তু ছিল ৫ দিনের জোড় বাঞ্চাল করা। এর ই পদক্ষেপ হিসেবে খান শাহাবুদ্দিন নাসিম বিভ্রান্তী ছড়াতে একটি অডিও বার্তা ছাড়ে ও মযদান ছাড়তে বলেন সবাইকে। তাদের চক্রান্ত যানাযানি হলে প্রষাশণ নরেচরে বসেন এবং ময়দানে শূরাদের হেফাজতের জন্য আইন স্রিঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করেন যাতে চক্রান্তকারীরা হামলা করতে না পারে। এদিকে তাদের চক্রান্তের অংশ হিসাবে ময়দান থেকে কিছু চিহ্নিত সাথী যারা কাকরাইলের শূরাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চলছে তাদের বড় জামাত নিয়ে কাকরাইলে যেতে প্রশাষণ বলেছে বলে ধোকা দেয়। পরে বুঝতে পেরে তারা ময়দান না ছাড়ার কথা ব্যক্ত করলে শুরার ফয়সাল তাই ফয়সালা দেন। পরে যানা গেছে তাদের এটা চক্রান্তের একটি জাল ছিল।
জোড়ের ৩য় দিন অর্থাৎ ১৯ নভেম্বর ২০১৭
বাদ ফজর বয়ানঃ মাওলানা ওমর ফারুক সাহেব
বাদ আসর বয়ানঃ প্রফেসর ইউনুস সাহেব
বাদ মাগরীবঃ মাওলানা ফারুক সাহেব
জোড়ের ৪র্থ দিন অর্থাৎ ২০ নভেম্বর ২০১৭
বাদ ফজর হেদায়েতের কথাঃ মাওলানা মোশাররফ সাহেব
দোয়াঃ মাওলানা জুবায়ার সাহেব।
প্রশাষণের কাছে বার বার ধর্ণা দিলে প্রশাষণ ওয়াসিফুল কে সাফ জানিয়ে দেয় আপনি গেলে যাবেন কিন্তু কোন ভাবেই ইন্ডিয়ানদের সেখানে পাঠাবেন না এতে বিবাদ বাড়বে। ওয়াসিফুল মুখ কালো করে সররাস্ট্র মন্ত্রনালয়থেকে বের হন। অন্যদিকে আমাদের অন্যান্য শূরা হযরতদেরকে বিবাদ এড়াতে দোয়া করে জোড় সমাপ্ত করতে অনুরোধ করলে শূরার হযরতগন মাশোয়ারা করে ১৯ নভেম্বর মাগরীবের আগেই দোয়া করে জোড় সমাপ্ত করেন।
আশার বানী হচ্ছে ঢাকার হালকা গুলো থেকে যারা ওয়াসিফুলের সাথে যরিত ছিলেন এমন ৬০ জন সাথি তওবাহ করে আমাদের হযরত ওলামাএকারেম এর পক্ষে সুস্থ ধারায় ফিরেছেন। হাজী সেলিম সাহেব তাদেরকে ১৯ নভেম্বার রাতে তাদেরকে মেহমান্দারী করেন। তাদের জন্য মুবারক বাদ।
সর্বমোট আনুমানিক ২৫০০ জামাত খুরুজ হয়েছে।
১) দাওয়াত তাবলীগ বিষয়ে শূরা ও আলেমদের বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ ৫ সিদ্ধান্ত


0 কমেন্টসগুলো:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন